দেশের বাজারে বিভিন্ন জাতের সুগন্ধি চালের দাম বেড়ে রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। এক মাসের ব্যবধানে মানভেদে এসব চালের দাম কেজিতে ৬০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
চালের দাম
রংপুরে বছরের শুরুতেই এক সপ্তাহের ব্যবধানে চিনিগুড়া আতপ চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২০ থেকে ২৫ টাকা।
প্রতিবেশী দেশ থেকে আমদানি হওয়া চালের কারণে দেশের বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে দামে। গত দুই সপ্তাহে পাইকারি পর্যায়ে প্রায় সব ধরনের চালের দাম বস্তাপ্রতি সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।
চলতি বছরের জুলাই মাসে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় জাপানে চালের দাম প্রায় ৯১ শতাংশ বেড়েছে।
বাংলাদেশ ৫ লাখ টন শুল্কমুক্ত চাল আমদানি করবে- এমন ঘোষণার পর ভারতে মাত্র দু’দিনে চালের দাম ১৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
নিত্যপণ্যের বাজার আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে। একে তো চালের চড়া দাম, এরমধ্যে প্রতিকেজি ৮০ টাকার নিচে মিলছে না বেশিরভাগ সবজি।
বাজারে ধানের জোগান স্বাভাবিক থাকলেও হঠাৎ করে চালের দাম বেড়ে গেছে। বিশেষ করে কোরবানির ঈদের পর থেকেই চালের দাম বাড়তি। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। বিষয়টি স্বীকার করে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, দাম কিছুটা বেড়েছে। তবে আর যেনো না বাড়ে সে ব্যাপারে সরকারের তীক্ষ্ণ নজর আছে।
নওগাঁর বাজারে বেড়েছে সব ধরনের চালের দাম। প্রকারভেদে খুচরা বাজারে সকল জাতের চালের দাম কেজি প্রতি ৩-১০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
চলতি বছর আমনের বাম্পার ফলন হয়েছে। আমন ধান বাজারে এলে চালের দাম কমতে শুরু করবে বলে জানিয়েছেন, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) খাদ্য অধিদপ্তরে খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে সমন্বয় সভাশেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি।
সবজিতে সেঞ্চুরি, কথাটি এখন কেবলই অতীত। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর থেকেই স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারে। শিক্ষার্থীদের বাজার তদারকি ও পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি কমে যাওয়ায় এমন চিত্র বিরাজমান বলে মন্তব্য ক্রেতা সাধারণের। তবে রয়েছে অভিযোগও। সব ধরনের চাল কেজি প্রতি বেড়েছে টাকার মতো।